Installer ডাকার আগেই এই তিনটে ধাপ করে নিলে, তাঁদের প্রস্তাব বাস্তবসম্মত কিনা বোঝা সহজ হবে।
Installer ডাকার আগেই নিজের বাড়ির বিদ্যুৎ ব্যবহার বুঝে নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ধাপ। এতে সময় ও ভুল সিদ্ধান্ত দুটোই এড়ানো যায়।
Energy audit মানে জটিল কিছু না — এটা শুধু আপনার বাড়িতে কোন যন্ত্র কতক্ষণ চলে ও কতটা বিদ্যুৎ খরচ করে তার একটা হিসাব। বড় কোম্পানি বা কারখানার জন্য এটা পেশাদারভাবে করা হয়, কিন্তু বাড়ির জন্য নিজে থেকেই একটা সহজ সংস্করণ করা যায়।
এই তিনটে তথ্য (গড় মাসিক ব্যবহার, প্রধান যন্ত্রের প্যাটার্ন, দিন/রাতের ভাগ) হাতে থাকলে সোলার-worth পাতায় বিদ্যুৎ বিল ও ছাদের ছবি পাঠিয়ে অনেক বেশি নির্ভুল একটা নিরপেক্ষ মূল্যায়ন পাওয়া সম্ভব।
নিজের ব্যবহারের প্যাটার্ন না জেনে installer-এর কাছে গেলে, তাঁরাই সিস্টেমের সাইজ ঠিক করে দেবেন — যা প্রায়ই তাঁদের ইনভেন্টরি বা লাভের অনুকূলে বেশি বড় হয়ে যায়। নিজে হিসাব করে গেলে installer-এর প্রস্তাব বাস্তবসম্মত কিনা তা যাচাই করা সহজ হয়।
দিনে বাড়িতে কেউ না থাকলেও সোলার লাভজনক হতে পারে — বাড়তি বিদ্যুৎ net metering-এর মাধ্যমে ক্রেডিট হিসেবে জমা হয়ে রাতের ব্যবহার সমন্বয় করে (এটা net metering পোস্টে বিস্তারিত আছে)। তবে এই তথ্য জানা থাকলে সিস্টেমের সঠিক সাইজ ঠিক করা অনেক সহজ হয়।
দ্রষ্টব্য: এটা একটা সাধারণ, নিজে করার মতো audit। বড় বাড়ি বা জটিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে পেশাদার energy audit বিবেচনা করা যেতে পারে।
প্রায় সব DISCOM বিলে ইউনিট ব্যবহার আলাদা করে উল্লেখ থাকে। খুঁজে না পেলে DISCOM-এর হেল্পলাইনে বা তাদের অনলাইন পোর্টালে লগইন করে দেখতে পারেন, সাধারণত বিস্তারিত ব্যবহারের হিস্টরি পাওয়া যায়।
হ্যাঁ, সাধারণ homeowner audit-এর জন্য নির্দিষ্ট ওয়াট জানা জরুরি নয়। কোন যন্ত্র বেশি সময় চলে তার একটা মোটামুটি ধারণা থাকলেই installer-এর সাথে আলোচনার জন্য যথেষ্ট।
মোটামুটি একটা আন্দাজ পাওয়া যায়, কিন্তু চূড়ান্ত সাইজ ঠিক করার জন্য ছাদের জায়গা, দিক ও ছায়ার হিসাবও লাগে। audit-এর তথ্য দিয়ে installer-এর প্রস্তাব যাচাই করা সহজ হয়, সম্পূর্ণ প্রতিস্থাপন নয়।
এই বিষয়ে বা সোলারের যেকোনো প্রশ্ন — হোয়াটসঅ্যাপে জিজ্ঞেস করুন।
হোয়াটসঅ্যাপে জিজ্ঞেস করুন